গভর্নরের মেয়াদ বাতিলের আইনি ও সাংবিধানিক প্রশ্ন
· Prothom Alo
গভর্নরকে অপসারণ করতে গেলে যথাযথ তদন্ত বা প্রক্রিয়াগত ন্যায্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। লিখিত কারণ ও শুনানির সুযোগ দেওয়া ছাড়া বিদায়ী গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের চুক্তির মেয়াদ বাতিল করা আইনি ও সংবিধানগত দৃষ্টিকোণ থেকে বিতর্কের সুযোগ রয়েছে। গভর্নরের মেয়াদ বাতিলের আইনি ও সাংবিধানিক প্রশ্ন নিয়ে লিখেছেন ফখরুল ইসলাম।
আহসান এইচ মনসুরকে বিদায় করে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় হিসাববিদ ও পোশাক খাতের ব্যবসায়ী মো. মোস্তাকুর রহমানকে। তিনি ছিলেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির একজন সদস্য।
Visit asg-reflektory.pl for more information.
কোনো গভর্নরের সরাসরি বা আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক পরিচয় এর আগে বাংলাদেশে কখনো দেখা যায়নি। নতুন গভর্নরের নিয়োগের চেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে, বিদায়ী গভর্নরের বিদায়টা আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে হলো কি না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর কোনো সাধারণ সরকারি কর্মচারী নন। তিনি একটি স্বশাসিত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান, যার পদটি সৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২-এর অধীনে।
বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে মুদ্রানীতি প্রণয়ন, আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা এবং ব্যাংক খাত তদারকির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। এ রকম একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে গভর্নরের ভূমিকা কেবল প্রশাসনিক নয়, বরং নীতিনির্ধারণী ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।
এর ফলে গভর্নরের নিয়োগ, যোগ্যতা, দায়িত্ব ও অপসারণের বিষয়গুলো সাধারণ সরকারি কর্মচারীদের মতো নয়; বরং বিশেষ আইনি কাঠামোর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত।
এ কারণে গভর্নরের পদকে সংবিধানের প্রচলিত প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সরলভাবে এক করে দেখা যায় না। ফলে গভর্নরের অপসারণও হওয়া উচিত বিশেষ আইনে নিয়ন্ত্রিত। বিশ্বজুড়েই এ পদের প্রধান ব্যক্তিকে সরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক খামখেয়ালি বিবেচনায় নেওয়া হয় না।
আহসান এইচ মনসুর কেন ব্যাংকের গ্রাহকদের ‘শত্রু’ হলেন২.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিরা রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টি সাপেক্ষে পদে বহাল থাকবেন। এই বিধান থেকেই ‘ডকট্রিন অব প্লেজার’ ধারণার উৎপত্তি।
ডকট্রিন অব প্লেজারের অর্থ হচ্ছে ‘রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টি সাপেক্ষে’। অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি যত দিন চাইবেন কোনো ব্যক্তি ওই পদে তত দিন বহাল থাকতে পারবেন। সরকার অতিরিক্ত বা মনগড়া ভিত্তি যোগ করতে পারবে না। রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টি হতে হবে বস্তুনিষ্ঠ, কোনো খামখেয়ালি নয়।
প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর কি ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তি?’ যদি তিনি একটি বিশেষ আইনের অধীনে সৃষ্ট স্বতন্ত্র পদাধিকারী হন এবং তাঁর চাকরির শর্তাবলি আলাদা আইনে নির্ধারিত থাকে, তাহলে তাঁর ক্ষেত্রে ‘রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টি সাপেক্ষে’ সরাসরি ও অবাধভাবে প্রযোজ্য হবে না।
কারণ, যেখানে কোনো বিশেষ আইনে অপসারণের নির্দিষ্ট শর্ত, যোগ্যতা ও অযোগ্যতার মানদণ্ড স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে, সেখানে রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টি বলতে খামখেয়ালি বা ব্যক্তিগত ইচ্ছানির্ভর সিদ্ধান্ত বোঝায় না; বরং তা হতে হবে বস্তুনিষ্ঠ, যুক্তিসংগত এবং প্রাসঙ্গিক উপাদানের ভিত্তিতে গৃহীত প্রশাসনিক সন্তুষ্টি। এসব কারণে গভর্নরের পদকে সংবিধানের প্রচলিত প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে এক করে দেখা যায় না।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডারের ১০(৫) ধারা অনুযায়ী আহসান এইচ মনসুরকে চার বছরের জন্য গভর্নর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই অর্ডার অনুযায়ী গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে তাঁর অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়। বাতিলের প্রজ্ঞাপনে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডারের কোনো ধারা উল্লেখ করেনি।
আহসান এইচ মনসুরকে অপসারণ করায় সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করেন বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন। সিদ্ধান্ত নেওয়ার দিনই তিনি প্রথম আলোকে বলেন, যে প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা শোভনীয় হয়নি। সদ্য বিদায়ী গভর্নরকে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দায়িত্ব নিতে হয়েছে। তিনি কিছু সাহসী ও ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটা তাঁর অবদান, এর স্বীকৃতি দেওয়া যেত। তাঁর প্রস্থানের প্রক্রিয়া দুঃখজনক। এটি সংকেত দেয়, ভবিষ্যতে যোগ্য লোক এ ধরনের পদে আসতে চাইবেন না।
নতুন গভর্নরের নিয়োগ নিয়ে এত হইচই কেন৩.
বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সরকারকে গভর্নরের অপসারণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এরপরও প্রশ্ন থেকে যায়। এই ক্ষমতা কি সম্পূর্ণ ও একান্তভাবে সরকারের ব্যক্তিগত সন্তুষ্টিনির্ভর, নাকি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠ প্রমাণের ভিত্তিতে তা প্রয়োগ করা উচিত?
বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার অনুযায়ী স্থায়ী অক্ষমতা, আস্থা ভঙ্গ, ব্যাংকের স্বার্থবিরোধী আচরণ অথবা ১০(৯) ধারায় বর্ণিত অযোগ্যতার ক্ষেত্রে গভর্নরের অপসারণ সম্ভব। অর্থাৎ অপসারণের ভিত্তি অবশ্যই নির্দিষ্ট, প্রমাণযোগ্য এবং আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডারের ১৫(১)(ক) ধারায় বলা আছে, সরকার গভর্নরকে পদ থেকে অপসারণ করতে পারবে, যদি তিনি তাঁর দায়িত্ব পালনে স্থায়ীভাবে অক্ষম হন অথবা তিনি এমন কোনো কাজ করেন, যার মাধ্যমে তাঁর ওপর ন্যস্ত আস্থা ভঙ্গ হয় অথবা তাঁর পদে বহাল থাকা সুস্পষ্টভাবে ব্যাংকের স্বার্থপরিপন্থী বলে বিবেচিত হয় অথবা বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডারের ১০ (৯) ধারা অনুযায়ী যদি তাঁর কোনো অযোগ্যতা থাকে।
গভর্নরের অযোগ্যতার কথাও সুস্পষ্টভাবে বলা আছে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডারে। অর্ডারের ১০ (৯) ধারায় বলা আছে, কোনো ব্যক্তি গভর্নর হতে পারবেন না, যদি তিনি সংসদ সদস্য হন; অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন; ঋণখেলাপি হন; দেউলিয়া হন; মানসিকভাবে অসুস্থ হন এবং নৈতিক স্খলনজনিত কারণে আদালত থেকে দোষী সাব্যস্ত হন ও এক বছরের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।
সুতরাং এসব শর্তের কোনোটি বাস্তবে বিদ্যমান না থাকলে শুধু প্রশাসনিক সন্তুষ্টির কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া আইনের দৃষ্টিতে টেকসই হবে না।
৪.
ওপরের একটি ঘটনাও আহসান এইচ মনসুরের ক্ষেত্রে ঘটেনি। অথচ কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া বা তদন্ত করা ছাড়াই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদ থেকে তাঁকে অপসারণ করা হয়। অর্থাৎ গভর্নর হিসেবে তাঁর অযোগ্যতা প্রমাণিত হয়নি।
যদি অপসারণের ভিত্তি হয় অক্ষমতা, অসদাচরণ, অযোগ্যতা অথবা অনুপযুক্ততা, তাহলে প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের নীতি প্রযোজ্য হবে; অবশ্যই যদি আইনে এ ব্যাপারে স্পষ্টভাবে কিছু বলা না থাকে। বাংলাদেশের সাংবিধানিক বিচারব্যবস্থার আলোকে আইনে নীরবতা থাকলেও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যদি নাগরিক পরিণতি ডেকে আনে, তাহলে অন্য পক্ষকে শোনার অধিকার নীতি অনুসরণ করতে হবে।
লাতিন ভাষায় ‘অডি অল্টারেম পারটেম’ নামে একটি নীতি আছে, সেটিই দেশে দেশে প্রয়োগ হয়ে আসছে। এর মূল দর্শন হচ্ছে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাঁকে নিজের বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া।
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট ধারাবাহিকভাবে বলেছে, কোনো অপসারণ যদি দোষভিত্তিক, কলঙ্কজনক বা অযোগ্যতার অভিযোগনির্ভর হয়, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করা দরকার।
সরকার যদি অযোগ্যতা বা অনুপযুক্ততার অভিযোগ তোলে, তবে বস্তুনিষ্ঠ উপাদানের ভিত্তিতে সন্তুষ্টি অর্জন ছাড়া ইচ্ছামতো অপসারণ করা যাবে না এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে যুক্তিসংগতভাবে জবাব দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।
সুযোগ না দিলে পদক্ষেপটি সংবিধান অনুযায়ীই চ্যালেঞ্জযোগ্য হতে পারে। সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার অংশে বলা আছে, এমন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না, যাতে কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি ঘটে। সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদে ‘কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা’ শীর্ষক শিরোনামে বিচারিক ক্ষমতার কথা বলা আছে।
অর্থাৎ সরকার কর্তৃক বেআইনি ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সুরক্ষার জন্য রিট আবেদন করার অধিকার দেওয়া আছে এ অনুচ্ছেদে। প্রশ্ন হচ্ছে, এ ঘটনায় কে রিট করবেন? সুনামের হানি হয়েছে আহসান এইচ মনসুরের। তিনিই কি রিট করবেন?
আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আহসান এইচ মনসুরের রিট করা জরুরি নয়। জনস্বার্থে যে কেউই রিট করতে পারেন। আদালত তখন পর্যালোচনা দেবেন, যা পরবর্তী সময়ে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
প্রশ্ন ওঠা সংগত যে গভর্নর কি সংবিধানের ১৩৩ থেকে ১৩৫ অনুচ্ছেদের অধীন সরকারি কর্মচারীদের মতো ‘রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টি সাপেক্ষে’ তাঁর পদে বহাল থাকেন?
গভর্নরের অপসারণ যদি লিখিত কারণ, প্রাসঙ্গিক প্রমাণ, ন্যায্য তদন্ত এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ছাড়া সম্পন্ন হয়, তবে তা আইনি বৈধতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারে।
রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টি কখনোই স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতার প্রতিশব্দ নয়; বরং তা আইন, যুক্তি, প্রমাণ এবং ন্যায়বিচারের মানদণ্ডে পরীক্ষিত একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত।
৫.
ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নিয়োগ পান এবং তাঁকে অপসারণ করা যায় আইনের ভিত্তিতে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নির্ধারিত আইনের ভিত্তিতে অপসারণযোগ্য। তাঁকে অপসারণ করা যায় কেবল তখনই, যখন তিনি গুরুতর অসদাচরণে দোষী সাব্যস্ত হন বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম প্রমাণিত হন।
যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে অপসারণ করা যায় কেবল অক্ষমতা বা গুরুতর অসদাচরণের ভিত্তিতে। যুক্তরাজ্যে সরকারের সরাসরি ইচ্ছার ভিত্তিতে অপসারণের সুযোগ নেই। কারণ, ব্যাংকের কার্যক্রম রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা একটি নীতিগত অঙ্গীকার।
এমন অপমানজনক অপসারণ কি গভর্নরের প্রাপ্য ছিলযুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকেও শুধু নীতিগত মতভেদের কারণে অপসারণ করা যায় না; গুরুতর অসদাচরণ বা অযোগ্যতার প্রমাণ থাকতে হয়।
যথাযথ প্রক্রিয়া লঙ্ঘিত হলে আদালত তাঁদের অপসারণ করার বিষয়টি পরীক্ষা–নিরীক্ষা করতে পারেন। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা রক্ষার একটি স্বীকৃত সাংবিধানিক-অর্থনৈতিক নীতি। ফলে গভর্নরকে অপসারণ করতে গেলে যথাযথ তদন্ত বা প্রক্রিয়াগত ন্যায্যতা নিশ্চিত করা জরুরি।
লিখিত কারণ ও শুনানির সুযোগ দেওয়া ছাড়া বিদায়ী গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের চুক্তির মেয়াদ বাতিল করা আইনি ও সাংবিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিতর্কের সুযোগ রয়েছে।
ফখরুল ইসলাম প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি
মতামত লেখকের নিজস্ব