এনসিপির নারী সংগঠন জাতীয় নারীশক্তির আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে মনিরা-মাহমুদা-নুসরাত
· Prothom Alo

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নারী সংগঠন জাতীয় নারীশক্তির আত্মপ্রকাশ হয়েছে।
আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় নারীশক্তির তিন সদস্যের কমিটি ঘোষণা করেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
Visit arroznegro.club for more information.
মনিরা শারমিনকে জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক করা হয়েছে। মাহমুদা আলম মিতু সদস্যসচিব। আর মুখ্য সংগঠকের দায়িত্ব পেয়েছেন নুসরাত তাবাসসুম।
মনিরা ও নুসরাত এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বেও আছেন। আর মাহমুদা এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব। তাঁরা তিনজনই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
মনিরা ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদের জিএস (সাধারণ সম্পাদক) নির্বাচিত হয়েছিলেন। মাহমুদা পেশায় চিকিৎসক। নুসরাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মুখসারির অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
ডিআরইউতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নারীশক্তির আত্মপ্রকাশের পাশাপাশি নারী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা করে এনসিপি। আলোচনা সভার শিরোনাম ‘সাম্প্রতিক কালে নারীর প্রতি ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিকার এবং ধর্ষণের বিচার’।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নারী সংগঠন জাতীয় নারীশক্তির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান। আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ)।নারীশক্তির কমিটি ঘোষণার পর নাহিদ বলেন, এনসিপির পাশাপাশি দলের অন্যান্য সহযোগী সংগঠন এবং এর বাইরে যে নারীরা আছেন, তাঁরা জাতীয় নারীশক্তির সঙ্গে যুক্ত হবেন। তাঁরা (নারীশক্তির নেত্রীরা) শিগগির পূর্ণাঙ্গ কমিটি করবেন। নারীশক্তির ঘোষণাপত্র, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও গঠনতন্ত্র প্রণয়নে তাঁরা কাজ করবেন। সারা দেশে নারীদের সংগঠিত করার চেষ্টা তাঁরা করবেন। তাঁদের প্রত্যাশা হলো, নারীশক্তি যেন বাংলাদেশে নারীদের পক্ষে একটা শক্ত অবস্থান ও লড়াই করতে পারে। নারীর প্রতি সহিংসতা ও সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে যাতে নারীশক্তি একটা দৃঢ় অবস্থান রাখতে পারে।
নাহিদ আরও বলেন, আলাদা করে এনসিপির নারী সংগঠন করার চিন্তা প্রথমে ছিল না। মূল দল থেকেই বিষয়টা নিয়ে কাজ করার চিন্তা ছিল। কিন্তু পরে মনে হয়েছে, দলের আলাদা একটা ধারা থাকা দরকার, যারা নারীদের ‘ফোকাস’ করেই কাজ করবে। পরে তাঁরা নানা কারণে আলাদা একটি সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন, যারা নারীদের পাশাপাশি দলীয় আদর্শ-লক্ষ্য নিয়েও কাজ করবে।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। নারীশক্তির মুখ্য সংগঠক নুসরাতের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক সেক্রেটারি সাবিকুন নাহার মুন্নী, নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা, দ্য ডেইলি স্টারের সাংবাদিক জাইমা ইসলাম, ডাকসু নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমা, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় ভূমিকা রাখা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাফসিন মেহেনাজ আজিরিন বক্তব্য দেন।