নেপালের নির্বাচনে বিশাল জয়ের পথে বালেন্দ্র শাহর দল
· Prothom Alo

নেপালের সাধারণ নির্বাচনে বিশাল জয়ের পথে রয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি)। ২৭৫ সদস্যের প্রতিনিধি সভায় দলটি দুই-তৃতীয়াংশ আসন অর্জনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। নেপালের নির্বাচন কমিশনের আজ রোববার দেওয়া সর্বশেষ তথ্যে এই চিত্র দেখা গেছে।
Visit asg-reflektory.pl for more information.
দেশটির ১৬৫টি একক নির্বাচনী এলাকার মধ্যে ১৬৪টির ফলাফল ও এগিয়ে থাকা প্রার্থীদের নাম জানা গেছে। এর মধ্যে আরএসপি সরাসরি ১১২টি আসনে জয় পেয়েছে এবং আরও ১৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। সমানুপাতিক পদ্ধতির আসনগুলো যুক্ত হলে সংসদের নিম্নকক্ষে আরএসপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সমানুপাতিক পদ্ধতির ভোট গণনায়ও আরএসপি বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছে। দেশজুড়ে গণনা করা মোট ৩৫ লাখ ৩৮ হাজার ৯৭১টি ভোটের মধ্যে আরএসপি পেয়েছে ১৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬টি ভোট। এটি এখন পর্যন্ত গণনা করা ভোটের প্রায় অর্ধেক এবং অন্য সব দলের পাওয়া সম্মিলিত ভোটের চেয়েও বেশি।
এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা নেপালি কংগ্রেস পেয়েছে ৬ লাখ ৩৯৯ ভোট। এ ছাড়া সিপিএন-ইউএমএল ৫ লাখ ২ হাজার ৫৫২ ভোট, নেপালি কমিউনিস্ট পার্টি ২ লাখ ৩৭ হাজার ৮১৮ ভোট, রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৪৪ ভোট এবং শ্রম সংস্কৃতি পার্টি ৭৪ হাজার ১১৫ ভোট পেয়েছে।
সরাসরি ভোটের লড়াইয়ে নেপালি কংগ্রেস ১৬টি আসনে জয় পেয়েছে এবং ১টিতে এগিয়ে আছে। সিপিএন-ইউএমএল ৭টিতে জয়ী হয়েছে ও ৩টিতে এগিয়ে আছে। নেপালি কমিউনিস্ট পার্টি ৫টি আসনে জয় পেয়েছে ও ২টিতে এগিয়ে আছে। এ ছাড়া শ্রম সংস্কৃতি পার্টি ২টিতে জয়ী ও ১টিতে এগিয়ে রয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ১টি করে আসনে জয় পেয়েছেন। একটি নির্বাচনী এলাকার তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
নেপালের ২৭৫ সদস্যের প্রতিনিধি সভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ১৮৪টি আসন প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশনের গণনা পদ্ধতি অনুযায়ী, সমানুপাতিক আসনগুলো বণ্টনের পর আরএসপি এই ‘ম্যাজিক ফিগার’ পার করবে অথবা এর খুব কাছাকাছি পৌঁছে যাবে। এমনটি হলে অন্য কোনো দলের সমর্থন ছাড়াই এককভাবে সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা পাবে দলটি। তবে ভোট গণনা শেষ হওয়ার পরই সমানুপাতিক আসনের পূর্ণাঙ্গ বণ্টন চূড়ান্ত হবে।
নেপালে ভোটে বালেন্দ্র শাহর বাজিমাত, কী ছিল কৌশল