গোবিপ্রবি বন্ধুসভার ভার্চ্যুয়াল রম্য বিতর্ক

· Prothom Alo

ঈদ মানেই আনন্দ, মিলন ও হাসির ছোঁয়া। এই উৎসবের রঙিন ও মজার অংশ হলো সালামি। কার কাছ থেকে কত সালামি আসবে—এই হিসাব-নিকাশে চলে খুঁটিনাটি পরিকল্পনা। ঐতিহ্য অনুসারে, সিনিয়রদের থেকে সালামি পাওয়া জুনিয়রদের অধিকার। এটি কোনো বাধ্যবাধকতা নয়, বরং পরিবারের ও সামাজিক সম্পর্ককে মধুর করার এক আনন্দময় প্রথা।

বড়রা হাসিমুখে উপহার হিসেবে ছোটদের হাতে সালামি তুলে দেন, আর সেই ছোট্ট উপহার ভেতরে বড় ভালোবাসার পরিচায়ক। তবে জুনিয়রদেরও সচেতন থাকা জরুরি—অতিরিক্ত চাহিদা কখনো পকেটে অযাচিত চাপ ফেলে।

Visit sportfeeds.autos for more information.

ডিজিটাল যুগে সালামির প্রথা কেবল সরাসরি সীমাবদ্ধ নয়। ফেসবুক, মেসেজ, স্ট্যাটাস—অনেকেই অনলাইনের মাধ্যমে কৌশলে সালামি আদায় করছে। কিছু কিশোরবান্ধব অনুষ্ঠানে মজার নিয়ম ও চার্জও দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, মেহেদি বা নাম লেখায় ১০০ টাকা, আর যদি ‘সিজিপি ৩.৫০’ থাকে, তবে ৫০ টাকা সালামি! এই ছোট ছোট শর্ত ঈদের আনন্দকে আরও মজাদার ও চ্যালেঞ্জিং করে তোলে।

গত ২০ মার্চ চাঁদরাতে অনলাইন গুগল মিট অ্যাপে ‘সালামি’ বিষয়ে রম্য বিতর্কের আয়োজন করে গোবিপ্রবি বন্ধুসভা। বন্ধু সিদরাতুল মুনতাহার সঞ্চালনায় বিতর্কে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার উপদেষ্টা সালমান হোসেন ও সভাপতি আহনাফ শাহরিয়ার।
বিতর্কে জামিরুল আহমেদের নেতৃত্বাধীন সিনিয়র টিমকে পরাজিত করে আসিফা ঐশীর নেতৃত্বাধীন জুনিয়র টিম জয়লাভ করে।

ভদ্রতা, হাসিমুখ ও বিনয়ী মনোভাব বজায় রেখে সালামি আদান-প্রদান করলে ঈদের আনন্দ বহুগুণ বাড়ে। তাই ঈদ শুধু ধর্মীয় বা সামাজিক উৎসব নয়, এটি বন্ধুত্ব, সম্পর্ক ও হাসির উদ্‌যাপন। ছোট্ট উপহার, বড় ভালোবাসা আর অনন্ত হাসি।

পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা

Read full story at source