কেমন হলো এবারের এসএমই বৈশাখী মেলা

· Prothom Alo

পয়লা বৈশাখ মানেই বাঙালির প্রাণের উৎসব, আর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল ‘এসএমই বৈশাখী মেলা ১৪৩৩’। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ১২-১৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলেছে এই আয়োজন। দেশীয় পণ্যকে জনপ্রিয় করতে এবং নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের প্ল্যাটফর্ম দিতে আয়োজিত এই মেলা ছিল দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত। ১৫০টিরও বেশি স্টলে দেশীয় উদ্যোক্তাদের তৈরি হস্তশিল্প, পাটজাত পণ্য, তৈরি পোশাক, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য ও ঐতিহ্যবাহী খাবার ছিল মেলায়।
এই মেলা নতুন নতুন স্টার্টআপ ও তরুণ উদোক্তাদের মাঝে সেতুবন্ধন হিসেবেও প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছে এবার।কেনাকাটার পাশাপাশি লোকজ গান ও পিঠা উৎসবের আয়োজন মেলায় বাড়তি আমেজ যোগ করেছে। মেলায় আসা একজন নারী উদ্যোক্তা বলেন, "অনলাইনের বাইরে সরাসরি ক্রেতাদের কাছে নিজেদের পণ্যের মান তুলে ধরার জন্য এই উদ্যোগ আমাদের জন্য বড় এক সুযোগ।" অন্যদিকে, মেলায় আসা দর্শনার্থীরাও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত দেশীয় পণ্য পেয়ে।
এসএমই খাতের উন্নয়ন মানেই দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন। এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত  এই বৈশাখী মেলা কেবল একটি বাণিজ্যিক প্রদর্শনী নয়, বরং এটি আমাদের কৃষ্টি ও সংস্কৃতির ধারক। যারা সস্তায় ভালো মানের দেশীয় পণ্য খুঁজছেন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে চান, তাদের জন্য এই ধরনের মেলা খুবই উপযোগী। এসএমই-র নিয়মিত আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবার সব শ্রেণির দর্শনার্থীদের মাঝে বেশ সাড়া জাগিয়েছে‘এসএমই বৈশাখী মেলা ১৪৩৩।

মেলার কাঠামোগত সজ্জা ছিল বেশ সুন্দরটিকেট কাউন্টারে ভীড় জমে উঠেছে টিকেট নিয়েই সবাই মেলায় প্রবেশ করেছেন প্রচুর দর্শনার্থী এসেছেন এবারের এসএমই বৈশাখী মেলায়স্টলগুলো জমে উঠেছে প্রথম দিন থেকেইপোশাকের স্টলে ভীড় ছিল খুব সব বয়সীরাই এসেছেন এবারের মেলায়কেনাকাটার পাশাপাশি বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের আয়োজনে তাঁতে কাপড় বোনা দেখতে ভীড় করেছেন সবাই সুতা কাটাও দেখানো হয় এখানে হাতে কলমে তাঁতে কাপড় বোনার বিভিন্ন পর্যায় দেখতে উৎসাহী হন সবাই ছিল ক্যারিকেচারের ব্যবস্থা পতাকা থিমের পোশাকে রণপা পড়া এই ব্যক্তি বেশ নজর কেড়েছেন ছিল ফেস পেইন্টের আয়োজন খাবারের স্টলগুলোতে মিলেছে নানা ধরনের সুস্বাদু খাবার ও পানীয়

ছবি: লেখক

Visit lej.life for more information.

Read full story at source