তৃণমূলের বিধায়কপ্রার্থীকে মাটিতে ফেলে পেটালেন বিজেপির সমর্থকেরা
· Prothom Alo

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর হামলা–ভাঙচুর–সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।
Visit betsport.cv for more information.
গতকাল সোমবার রাজ্যে বিজেপির জয়ের খবর আসার পর কালীঘাটে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তরে হামলা চালান একদল বিজেপি সমর্থক। তাঁরা দপ্তরটিতে ব্যাপক ভাঙচুর চালান।
বারাসাতে তৃণমূল দপ্তরে একইভাবে হামলা চালানো হয়। দক্ষিণ কলকাতার বিজয়গড়ে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের দপ্তর ভাঙচুর করে ‘বিজেপি নামধারী’ একদল দুষ্কৃতকারী।
দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূলের বিদায়ী মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের দপ্তরে ভাঙচুর চালানো হয়েছেব্যারাকপুরের বরাহনগরে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। এখানে তৃণমূলের কাউন্সিলর অপর্ণা মৌলিকের দপ্তরেও হামলা–ভাঙচুর চালানো হয়।
উত্তর চব্বিশ পরগনার বীজপুরের তৃণমূলের প্রার্থী সুবোধ অধিকারীকে মাটিতে ফেলে বিজেপির সমর্থকেরা ব্যাপক মারধর করেন। এ সময় তাঁর জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলা হয়। পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ব্যারাকপুরের তৃণমূলের প্রার্থী অভিনেতা রাজ চক্রবতীর গায়ে কাদা ছোড়া হয়। তাঁকে লক্ষ্য করে চটি ছুড়ে মারা হয়।
জগদ্দলের তৃণমূল প্রার্থী সোমনাথ শ্যামের গায়েও কাঁদা ছোড়া হয়। তাঁর দিকে থুতু ছুড়ে দেওয়া হয়। তাঁকে উদ্দেশ করে ‘চোর চোর’ বলে চিৎকার দেন বিজেপির সমর্থকেরা।
অন্যদিকে উত্তর চব্বিশ পরগনার ভাটপাড়ার তৃণমূলের প্রার্থী অমিত গুপ্তকে বিক্ষুব্ধ লোকজনের রোষানল থেকে উদ্ধার করেন এই আসনের জয়ী বিজেপির প্রার্থী পবন সিং।
তৃণমূলের দেবব্রত মজুমদারের দপ্তর ভাঙচুর করা হয়েছেপবনের বাবা বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। তিনি জয়ী হয়েছেন ব্যারাকপুরের নোয়াপাড়া আসন থেকে। তিনি দলীয় নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন, কোনো তৃণমূল নেতা-কর্মীর গায়ে যেন তাঁরা হাত না দেন।
বীজপুরের বিজয়ী বিজেপি প্রার্থী সুদীপ্ত দাস বলেছেন, মানুষ এদের (তৃণমূল) হাতে এত দিন অত্যাচারিত, অসম্মানিত হয়েছেন। ক্ষমতার দম্ভে তৃণমূল এলাকার মানুষকে মানুষ বলে গণ্য করেনি। এবার তার তো একটু পরিণাম ভোগ করতেই হবে।
এসব ঘটনার পর তৃণমূলের ব্যারাকপুরের সংসদ সদস্য পার্থ ভৌমিক বলেছেন, বিজেপি তার আসল চেহারা প্রকাশ করেছে।