ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালত চত্বর থেকে হাতকড়াসহ পলাতক দুই আসামির মধ্যে একজন গ্রেপ্তার

· Prothom Alo

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণ থেকে পুলিশ হেফাজতে থাকা মাদক মামলার দুই আসামি হাতকড়াসহ পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা হাতকড়াসহ একজনকে আটক করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

Visit betsport.cv for more information.

পালিয়ে যাওয়া আসামিরা হলেন বিজয়নগর উপজেলার সিংগারবিল ইউনিয়নের সিংগারবিল গ্রামের সজল মিয়া (২৮) ও একই গ্রামের শাহীন মিয়া (২৯)। তাঁদের মধ্যে সজল মিয়াকে বিকেলে আদালতের পশ্চিম দিকে শহরের হাসিনাবাগ এলাকা থেকে স্থানীয় ব্যক্তিরা আটক করে ডিবি পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। অপর আসামি শাহীন তিতাস নদী দিয়ে কৌশলে পালিয়ে যান।

প্রত্যক্ষদর্শী, আদালত পুলিশ ও বাঞ্ছারামপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আইয়ুবপুর ইউনিয়নের আইয়ুবপুর গ্রাম থেকে চার কেজি গাঁজাসহ সজল ও শাহীনকে বাঞ্ছারামপুর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তাঁদের মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ দুপুরে বাঞ্ছারামপুর থানার দুজন কনস্টেবল ওই দুই আসামিকে পৃথক হাতকড়া পরিয়ে একটি গাড়িতে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্দেশে রওনা হন। বেলা সোয়া তিনটার দিকে গাড়িটি আদালত চত্বরে পৌঁছায়। গাড়ি থেকে নামানোর সময় দুই আসামি কৌশলে হাতকড়াসহ আদালত চত্বর থেকে পালিয়ে যান।

পুলিশ জানায়, আসামি সজল নদীর পাড় দিয়ে আদালতের পশ্চিম দিকে শহরের হাসিনাবাগ এলাকার একটি বাড়িতে লুকানোর চেষ্টা করেন। তখন এক গৃহবধূ চিৎকার করলে সজল ঘর থেকে বের হয়ে দৌড় দেন। এলাকার লোকজন তাঁকে হাতকড়াসহ আটক করে পুলিশে খবর দেন। অপর আসামি পানিতে ঝাঁপ দিয়ে তিতাসের কুরুলিয়া খাল পার হয়ে পালিয়ে যান।

বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াছিন প্রথম আলোকে বলেন, হাতকড়াসহ পলাতক দুই আসামির একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়িত্বে থাকা দুই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশের আদালত পরিদর্শক হাবিবুল্লাহ সরকার প্রথম আলোকে বলেন, মাদক মামলার দুই আসামি আদালত চত্বর থেকে বাঞ্ছারামপুর থানার পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়েছে, আদালতের পুলিশের হেফাজত থেকে নয়।

Read full story at source