নদী গবেষণায় পল্লীমা গ্রিন স্বর্ণপদক পেলেন শেখ রোকন
· Prothom Alo

নদী ও পরিবেশ সংরক্ষণে দীর্ঘদিনের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ‘পল্লীমা গ্রিন স্বর্ণপদক-২০২৫’ পেলেন নদী–গবেষক, সংগঠক ও লেখক শেখ রোকন। তিনি নদী সুরক্ষাবিষয়ক নাগরিক সংগঠন রিভারাইন পিপলের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে গতকাল শনিবার রাতে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের পল্লীমা সংসদ কনফারেন্স হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সড়ক পরিবহন, মহাসড়ক ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ তাঁকে স্বর্ণপদক পরিয়ে দেন।
Visit livefromquarantine.club for more information.
পল্লীমা গ্রিনের চেয়ারম্যান আউয়াল কামরুজ্জামান ফরিদের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি। আরও বক্তব্য রাখেন পাট থেকে পচনশীল পলিথিন ‘সোনালি ব্যাগ’ আবিষ্কার এবং ২০১৮ সালে পল্লীমা গ্রিন সম্মাননা পাওয়া মোবারক আহমদ খান, পল্লীমা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মু. হাফিজুর রহমান ময়না, সভাপতি আনিসুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবু হায়দার, পল্লীমা গ্রিনের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইসমাইল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবিবুর রশীদ বলেন, নদী বাংলাদেশের প্রাণ। নদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। বর্তমান সরকার নদী ও খাল পুনরুদ্ধারে জাতীয়ভাবে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পল্লীমা সংসদ ও পল্লীমা গ্রিনের মতো সামাজিক সংগঠনগুলো এবং শেখ রোকনের মতো গবেষকরা এগিয়ে এলে দেশের নদী, খাল ও পরিবেশ সুরক্ষা সহজ হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুস্তাফিজ শফি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জনজীবনের সঙ্গে নদীর সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। তাই নদী রক্ষাকে নাগরিক দায়িত্ব হিসেবেই দেখতে হবে। পরিবেশবান্ধব সমাজ গঠনে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
সম্মাননা গ্রহণের পর শেখ রোকন বলেন, দেশের নদীগুলো আজ নানাভাবে হুমকির মুখে। পরিকল্পনাহীন উন্নয়ন, দখল ও দূষণের কারণে অনেক নদী হারিয়ে যাচ্ছে। নদীকে রক্ষা করা না গেলে পরিবেশ ও মানবজীবন—দুটিই সংকটে পড়বে। একই সঙ্গে নদী রক্ষায় ভবিষ্যতেও কাজ চালিয়ে যাওয়ারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।