জামালপুর সীমান্তের শূন্যরেখায় আরেক ব্যক্তির অবস্থান ঘিরে উত্তেজনা

· Prothom Alo

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সাতানীপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখায় আরেক ব্যক্তির অবস্থান ঘিরে আবার স্থানীয় লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে মধ্যবয়সী ওই ব্যক্তিকে শূন্যরেখা থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে স্থানীয় লোকজন বাধা দেন। এর পর থেকে ওই ব্যক্তি শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।

Visit amunra-online.pl for more information.

বিকেলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তবে উভয় পক্ষই লোকটিকে সেখানে রেখে চলে আসেন।

জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক ইমাম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, এখানে কোনো পুশ ইনের চেষ্টার ঘটনা ঘটেনি। ওই ব্যক্তি স্থানীয় বাসিন্দা ও মানসিক ভারসাম্যহীন। বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করতে করতে হয়তো সেখানে গিয়েছেন। শূন্যরেখায় লোকটিকে দেখে বিএসএফ সদস্যরা সেখানে এসেছিলেন। পরে তাঁরাও সেখানে গিয়েছিলেন। পরে বিএসএফ চলে যায় এবং তাঁরাও চলে আসেন। এটাকে পুশ ইনের ঘটনা বলা যাবে না।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, আজ দুপুরে ওই সীমান্ত এলাকায় স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা কৃষিকাজ করছিলেন। এ সময় ভারত সীমান্ত থেকে বাংলাদেশে ওই ব্যক্তিকে প্রবেশ করতে দেখে স্থানীয় লোকজন বাধা দেন। এর পর থেকে ওই ব্যক্তি শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। খবর পেয়ে আরও স্থানীয় লোকজন সেখানে জড়ো হন। পরে বিএসএফ ও বিজিবির সদস্যরাও যান। কিছুক্ষণ ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বিজিবির সদস্যরা চলে আসেন। এর পর থেকে ওই ব্যক্তি সেখানে আছেন। গ্রামের লোকজনও সেখানেই আছেন।

এর আগে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর সীমান্ত দিয়ে গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে আবার পুশ ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি ও স্থানীয় রহিমপুর গ্রামের বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থানের কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। আর গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়াকামালপুর সীমান্ত দিয়ে বিএসএফের ঠেলে পাঠানো ষষ্টিচন্দ্র বর্মণকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজিবি কর্মকর্তা ইমাম হোসেন বলেন, জামালপুরের সীমান্ত এলাকায় আজ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পুশ ইন বা অন্য কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সীমান্ত এলাকা এখন শান্ত আছে।

Read full story at source