বগুড়ার উন্নয়ন নিয়ে যখন কাজ শুরু করেছি, তখন নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

· Prothom Alo

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ‘এই বগুড়া জেলা গত ২০ বছর উন্নয়নবঞ্চিত ছিল। আমরা উন্নয়নের কথা বলতে পারিনি। চেষ্টা করেছি হয়তো অনেকেই—যাঁরা উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন, কিন্তু বগুড়া হিসেবে সব সময় আমাদের বঞ্চনার চোখে দেখা হয়েছে। এখন এই বগুড়ার উন্নয়ন নিয়ে যখন আমরা কাজ শুরু করেছি, তখন নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে নেওয়ার জন্য কিছু বিষয়কে খুব জোরাল ভাবে নিয়ে আসা হচ্ছে।’

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়া নগরের দত্তবাড়ি এলাকায় শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও অন্তর্বিভাগের কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ও হৃদ্‌রোগবিশেষজ্ঞ জুবাইদা রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

Visit tr-sport.bond for more information.

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের দোষত্রুটি থাকলে অবশ্যই সমালোচনা হবে। তবে সেই সমালোচনা যেন আইনসম্মত ও গ্রহণযোগ্য হয়। বগুড়ার উন্নয়নে আমরা যেসব কাজ এগিয়ে নিয়েছি, একটা কাজও স্থবির হবে না। আজই মন্ত্রিপরিষদের মিটিংয়ে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন নীতিগতভাবে অনুমোদন হবে। আরও যেসব উন্নয়নের কথা আমরা দফায় দফায় বলেছি, সব উন্নয়নই হবে। তবে একটু সময় দিতে হবে।’

কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আরও বলেন, ‘আমরা ভুলে গেছি, এটি জুন মাস। ২৩ জুন স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। মানুষের দৃষ্টি, নেতা–কর্মীদের দৃষ্টি, প্রশাসনের দৃষ্টি অন্যদিকে নিয়ে গিয়ে ২৩ জুন আওয়ামী লীগ যাতে মাঠে নামার চেষ্টা না করে, এটা খেয়াল রাখতে হবে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতাল ৬ তলা আছে, এটা ৮ তলায় রূপান্তরিত করা হবে। পাশের যে বিল্ডিংটি রয়েছে, এটি এই হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ইচ্ছা ছিল, ওই ভবনে যে স্থাপনা আছে, সেটিও যাতে হাসপাতালের সঙ্গে সম্প্রসারণ করা হয়। আমরা চেষ্টা করব, পাশের জায়গাটি যদি সরকারি হয়, তবে সরকারিভাবে হাসপাতালের সঙ্গে নেব। আর যদি ব্যক্তিমালিকানাধীন হয়, প্রয়োজনে অধিগ্রহণ করে হলেও এই শিশু হাসপাতালের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে যাতে ৫০ শয্যার এই শিশু হাসপাতাল ১০১ বা ১৫০ শয্যায় রূপান্তরিত করা যায়, এ ব্যাপারে আমরা পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে আগামী বছরই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।’

অনুষ্ঠানে বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এ কে এম মাহবুবুর রহমান, বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন, বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক আহসানুল তৈয়ব জাকির প্রমুখ।

Read full story at source