‘অনেক রকম ফল দেখতেও মজা, খেতেও মজা’
· Prothom Alo

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে ফল উৎসব করেছে যশোর বন্ধুসভা। ২৭ জুন বিকেলে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে দেশি ফলের পুষ্টিগুণ ও ছাদবাগানের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনায় বক্তারা বলেন, স্বল্প বাজেটেও দেশি ফল দিয়ে পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বন্ধুসভার দপ্তর সম্পাদক নুরুন্নবী হৃদয়। বন্ধু সাদিয়া তাবাসুমের কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হয়। স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক রাইয়াদ ফেরদৌস।
Visit casino-promo.biz for more information.
দেশি ফলের পুষ্টি নিয়ে আলোচনা
প্রথম আলোর যশোর প্রতিনিধি ও বন্ধুসভার উপদেষ্টা মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘স্বল্প বাজেটেও দেশি ফল থেকে সহজে পুষ্টি পাওয়া যায়। অনেক দেশি ফল পুষ্টিগুণে বিদেশি ফলের চেয়েও এগিয়ে।’
যশোর হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক দীপঙ্কর দাস বলেন, ‘আমাদের দেশের মাটি ও আবহাওয়া ফল চাষের জন্য একদম উপযোগী। কিছু দেশি ফলের পুষ্টিমান এত বেশি যে বিদেশি ফলও তার কাছে কিছু নয়। বাড়ির আঙিনা ও ছাদ খালি না রেখে উন্নত জাতের ফলের গাছ লাগিয়ে নিজেদের পুষ্টির চাহিদা নিজেরাই পূরণ করতে পারি।’
সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা কিশোর কুমার সাহা দেশি বিভিন্ন ফলের নাম ও সেগুলো থেকে শতকরা কতটুকু পুষ্টি পাওয়া যায়, তা তুলে ধরেন।
শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাস
উৎসবে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা বিভিন্ন রকম ফল দেখে ও খেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। ছয় বছরের সাইমা ইসলাম বলে, ‘অনেক রকম ফল দেখতেও মজা, খেতেও মজা।’
সাংস্কৃতিক পর্বে বন্ধু তানজিল ইসলাম কবিতা আবৃত্তি করেন। সংগীত পরিবেশন করেন বন্ধু হাফিজুল ইসলাম ও মাহির হোসেন। সমাপনী বক্তব্য দেন সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক ও বন্ধুসভার উপদেষ্টা নাসরিন শিরিন।
সাধারণ সম্পাদক, যশোর বন্ধুসভা