নদী গিলেছে স্কুল, বাঁধে চলছে পাঠদান

· Prothom Alo

যমুনার ভাঙন কেবল ঘরবাড়ি বা ফসলি জমিই কেড়ে নিচ্ছে না, গ্রাস করছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও। বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার শতবর্ষী চকরতিনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পর ৭৩ শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ওপর টিনের ছাপরায়। এদিকে ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে পাশের পূর্ব সুজাইতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রও। নদীভাঙনের মুখে শিক্ষা, জনপদ ও মানুষের টিকে থাকার লড়াই নিয়ে এই ছবির গল্প।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত চকরতিনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিনশেড ভবনও যমুনার গর্ভে বিলীন হয়েছে। ফলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ওপর অস্থায়ী ছাপরায় চলছে পাঠদানস্থায়ী ভবন না থাকলেও বিদ্যালয়ের ৭৩ জন শিক্ষার্থী নিয়মিত পাঠ গ্রহণ করছেঅস্থায়ী শ্রেণিকক্ষে পাঠে মনোযোগী কোমলমতি শিক্ষার্থীরাবন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এখন শিক্ষার্থীদের অস্থায়ী বিদ্যালয়চারপাশে খোলা পরিবেশেই পড়াশোনা করছে শিক্ষার্থীরাসোনাতলা উপজেলার ৫৯ নম্বর পূর্ব সুজাইতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রটিও ভাঙনের হুমকিতেবিদ্যালয়টির এই ভবন নির্মাণে প্রায় ৪৩ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিলকালগ্রাসী যমুনা নদী এসে পৌঁছেছে বিদ্যালয়ের একেবারে কাছে ভাঙন ঠেকাতে নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে জিওটেক্স বস্তাযমুনার ভাঙনের কবলে পড়েছে হাট শেরপুর চরাঞ্চলনদীভাঙনের আশঙ্কায় অপরিপক্ব পাট কেটে নিচ্ছেন এক কৃষককয়েক দিন আগেও এখানে ছিল বসতভিটা, এখন সেখানে শুধুই নদীর গর্ভভাঙনের মুখে পড়ে ঘরবাড়ি ভেঙে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছেন বাসিন্দারাএখনো অব্যাহত রয়েছে হাট শেরপুর চরাঞ্চলে যমুনার ভয়াবহ ভাঙন

Read full story at source