ময়মনসিংহে সাড়ে ১৮ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, দম্পতি ও ছেলে–পুত্রবধূ গ্রেপ্তার
· Prothom Alo

ময়মনসিংহে ১৮ হাজার ৪২০টি ইয়াবাসহ এক দম্পতি, তাঁদের ছেলে ও পুত্রবধূকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেলে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে একই পরিবারের ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কুড়িগ্রামের রৌমারী থানার চর নতুন বন্দর এলাকার রকিব হাসান (৩৮), তাঁর স্ত্রী শান্তি খাতুন (৩৩), তাঁদের ছেলে সাকিব আল হাসান (২২) এবং ছেলের স্ত্রী ফারজানা আক্তার ওরফে ফরিদা (১৯)। ময়মনসিংহ-শেরপুর মহাসড়কে শম্ভুগঞ্জ এলাকা থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মা ও ছেলের মধ্যে বয়সে পার্থক্য মাত্র ১১ বছর।
Visit sweetbonanza.qpon for more information.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বিকেলে বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের একটি দল কোতোয়ালি মডেল থানার শম্ভুগঞ্জ মোড় এলাকায় বিশেষ মাদকবিরোধী চেকপোস্ট বসায়। এ সময় সন্দেহভাজন ওই চারজনকে তল্লাশি করে মোট ১৮ হাজার ৪২০টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রকিব হাসান নিজের প্যান্টের ভেতরে শরীরের সঙ্গে বিশেষ কায়দায় ইয়াবা বহন করছিল। অপর দিকে মো. সাকিব আল হাসানের সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগে ফ্রিজের স্ট্যাবিলাইজারের ভেতরে বিশেষ কায়দায় নেওয়া হচ্ছিল ইয়াবা। একই সঙ্গে তাঁদের কাছ থেকে ৩টি মুঠোফোন এবং মাদক বিক্রির ১৫ হাজার ৩০০ টাকা জব্দ করা হয়।
অভিযান শেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে গতকাল রাতে তাঁদের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন। আজ চারজনকে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিবারটি কুড়িগ্রামের ভারতীয় সীমান্ত এলাকা দিয়ে ইয়াবার চালান এনে ঢাকায় দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। চালানের একটি অংশ নেত্রকোনার একটি দল শম্ভুগঞ্জ থেকে নেওয়ার কথা ছিল। তাঁরা গাজীপুরে বাসাভাড়া নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে মাদক ব্যবসা করতেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক কাওসারুল হাসান (রনি) বলেন, ‘পুরো পরিবারটিই মাদকের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাঁরা গাজীপুরে ভাড়া বাসা নিয়ে মাদকের ব্যবসা করতেন। গোয়েন্দা তথ্যে ভিত্তিতে তাঁদের আমরা গ্রেপ্তার করেছি।’ মা ও ছেলের বয়সের পার্থক্য এত কম উল্লেখ করার কারণ সম্পর্কে বলেন, মা ও ছেলের কথা অনুযায়ী তাঁদের বয়স উল্লেখ করা হয়েছে।