২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্টের চেয়ারম্যান সাহেদ কারাগারে

· Prothom Alo

মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

Visit biznow.biz for more information.

আজ সোমবার বিকেলে ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-৫–এর বিচারক সাদিক আহম্মেদের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দবির উদ্দিন প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের মামলাটি দায়ের হওয়ার সময় সাহেদ অন্য একটি মামলায় সাড়ে চার বছর কারাগারে ছিলেন। তখন তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। পরে ২০২৫ সালের ৪ মে আদালত তাঁকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। সাহেদ সাজা পরোয়ানার বিষয়টি জানতেন না। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে।

মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক থেকে ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ঋণ নেন মোহাম্মদ সাহেদ। ঋণের নিরাপত্তা হিসেবে একই পরিমাণ টাকার একটি চেক ব্যাংকের কাছে জমা দেন। পরে ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকটি ব্যাংকে উপস্থাপন করলে তা ডিজঅনার হয়। পরে একই বছর ৫ ফেব্রুয়ারি আসামিদের আইনি নোটিশ পাঠানো হয়, যা তাঁরা ৯ ফেব্রুয়ারি গ্রহণ করেন। তবে নোটিশ পাওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা করে। এ ঘটনায় ১৮৮১ সালের নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্টস আইনের ১৩৮ ধারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করা হয়। পরে বিচারের জন্য মামলাটি ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয়।

মামলার বিচার শেষে ২০২৫ সালের ৪ মে আদালত সাহেদকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং চেকের সমপরিমাণ অর্থদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

এই মামলায় রিজেন্টের ব্যবস্থানা পরিচালক ইব্রাহিম খলিলেরও একই সাজার আদেশ দেন আদালত। তবে তিনি পলাতক আছেন বলে জানান সাহেদের আইনজীবী দবির উদ্দীন।

আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান জানিয়েছেন। পরে বিকেলে সাহেদকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। পরে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় তাঁকে হাজতখানায় নেওয়া হয়।

হাজতখানায় নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশে সাহেদ বলেন, ‘এই মামলায় আমাকে আগে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। সম্পূর্ণ ভুয়া মামলায় সন্ত্রাসী কায়দায় আমাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মার্কেন্টাইল একটা ভুয়া ব্যাংক। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের মালিক একজন জোচ্চর, বাটপার।’

এর আগে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে পল্লবী থানায় সোপর্দ করা হয়।

রিজেন্টের সেই সাহেদ আবার গ্রেপ্তার

Read full story at source