প্রাণনাশের হুমকি পেয়ে পুলিশের কাছে গেলেন সৌরভ গাঙ্গুলী

· Prothom Alo

ভারতের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী প্রাণনাশের হুমকিসহ একাধিক চিঠি পেয়েছেন। এর মধ্যে একটি চিঠিতে তাঁকে ও তাঁর স্ত্রী ডোনা গাঙ্গুলীকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। কয়েক মাস ধরে এ ধরনের হুমকিসূচক চিঠি পাচ্ছেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের (সিএবি) এই সভাপতি।

Visit palladian.co.za for more information.

ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গেছে, সৌরভ গাঙ্গুলী দক্ষিণ কলকাতার ঠাকুরপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ করার পর কে বা কারা এমন হুমকিসূচক চিঠি পাঠিয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে জোর তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ নিয়ে বলেন, ‘আমরা অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি এবং তদন্ত শুরু করেছি। এর পেছনে দায়ী ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে চিঠির ভাষা, পাঠানোর উৎস ও কুরিয়ার সার্ভিসের বিবরণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’


ভারতের অন্যতম সফল এই সাবেক অধিনায়ক গতকাল তাঁর কার্যালয়ে সর্বশেষ হুমকিসূচক চিঠিটি পান। এরপর দক্ষিণ কলকাতার ঠাকুরপুকুর থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।

ভারতের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী

ভারতের সংবাদমাধ্যম নিউজ১৮ জানিয়েছে, বিসিসিআইয়ের সাবেক এই সভাপতির নামে প্রায় ছয় মাস ধরে এমন চিঠি আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে শুরুতে বিষয়টিকে অতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

ভারতকে ২০০২ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জেতানো সাবেক এই অধিনায়কের ব্যবস্থাপকের দায়ের করা পুলিশি এজাহার অনুযায়ী, গতকাল তাঁর কার্যালয়ে আসা দুটি চিঠিতে সরাসরি সৌরভ গাঙ্গুলী ও তাঁর স্ত্রী ডোনাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে তাঁদের স্বজন ও কাছের মানুষদের ক্ষতি করার বার্তা দেওয়া হয়।

পুলিশের ওই কর্মকর্তা জানান, চিঠিতে লেখা বিষয়বস্তু খতিয়ে দেখার পাশাপাশি প্রেরকের পরিচয় এবং আক্রমণের উদ্দেশ্য উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, চিঠি দুটি সম্ভবত উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বেলঘরিয়ার এক ব্যক্তি কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠিয়েছেন।

প্রেরকের ব্যবহৃত সন্দেহভাজন সিম কার্ডের অবস্থান ও গতিবিধি নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং পার্সেলের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে সংশ্লিষ্ট কুরিয়ার এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানান সেই পুলিশ কর্মকর্তা। তাঁর ভাষায়, ‘আমরা কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছি এবং একটি মোবাইল নম্বর শনাক্ত করতে পেরেছি। নম্বরটির বর্তমান অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

সব কটি চিঠি একই ব্যক্তির পাঠানো কি না এবং এই হুমকির নেপথ্যে আসল কারণ কী, তা কলকাতা পুলিশের তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন বলে জানান সেই পুলিশ কর্মকর্তা।

Read full story at source