নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯

· Prothom Alo

নেপাল-তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক ঢলে মৃত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। মৃত মানুষের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৪৭২ হয়েছে।

Visit biznow.biz for more information.

দুর্যোগের ৪৮ ঘণ্টার মাথায় প্রাণহানির নতুন এ তথ্য জানা গেলে। গত বুধবার সকালে নেপাল-তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক ঢল হয়।

এ ঘটনায় নেপালে মৃত মানুষের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৪৬৯ হয়েছে বলে আজ শুক্রবার জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।

এর আগে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছিল, এ ঘটনায় তিব্বতে তিনজন মারা গেছেন।

ফলে নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে মৃত মানুষের মোট সংখ্যা অন্তত ৪৭২–এ দাঁড়াল।

১১ বছর পর নেপালে বড় দুর্যোগ, নতুন করে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কাউদ্ধারকাজে হেলিকপ্টার। নেপালের নুয়াকোট জেলায়। ২৭ আগস্ট ২০২৬

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, এ দুর্যোগে শত শত বিদেশি নাগরিকসহ ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ।

বিবিসি বলছে, এর মধ্যে তিব্বতে নিখোঁজ রয়েছেন ৫৫০ জনের বেশি মানুষ।

ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া এলাকায় দ্বিতীয় দফা বন্যা আঘাত হানতে পারে—এমন খবরের কারণে জীবিত ব্যক্তিদের সন্ধানে থাকা উদ্ধারকারীরা ‘উদ্বিগ্ন ও সতর্ক’ অবস্থায় আছেন। বিবিসিকে এ কথা বলেছেন রেডক্রসের একজন কর্মকর্তা।

চীন-নেপাল সীমান্তের কাছে পানি বেড়ে একটি হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। হ্রদটির পানি উপচে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বেইজিং থেকে বিবিসির সাংবাদিক লরা বিকার এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিলীন হয়ে গেছে গ্রামের পর গ্রাম, ভিডিওতে দেখা গেল নেপালের বন্যার ভয়াবহতা

রয়টার্স ও কাঠমান্ডু পোস্ট জানায়, দুর্যোগের কারণ নিয়ে এখনো বিশ্লেষণ চলছে। তবে স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বলছেন, নেপালের লাংটাং লিরুং পর্বতের উত্তর ঢাল থেকে বিপুল পরিমাণ বরফ ও পাথরের ধস নেমে লহেন্দেখোলা নদীতে পড়ে। এতে লহেন্দে নদীর প্রবাহ সাময়িকভাবে আটকে গিয়ে একটি প্রাকৃতিক বাঁধ তৈরি হয়। পরে সেই বাঁধ ভেঙে বিপুল পানি, বরফ, পাথর ও কাদার স্রোত প্রবল বেগে ভাটির দিকে নেমে আসে।

পানি আটকে নেপাল–তিব্বত সীমান্তে তৈরি হয়েছে হ্রদ, আরও বন্যার সতর্কতা জারি

Read full story at source