যে ৯ ম্যাচে মেসি করেছেন ৩৮ গোল

· Prothom Alo

সময় তার নিজের নিয়মে গড়ায়—বদলায় প্রতিপক্ষের জার্সি, বদলায় জলবায়ু, বদলে যায় খোদ ফুটবলারের ভূমিকাও। তবে কিছু জিনিস থেকে যায় অবিকল, সময়ের আঁচড় লাগে না তাতে। লিওনেল মেসির গোল করার অভ্যাসটা যেমন।

বয়স সায় দিক বা না দিক, মায়ামির গোলাপি জার্সিতেও তিনি সেই একই জাদুকর। আজও মেজর লিগ সকারে মন্ট্রিয়লের বিপক্ষে বল জালে পাঠালেন চার-চারবার। আবার মনে করিয়ে দিলেন, ক্যানভাসের রং পাল্টালেও তাঁর সেই তুলির টান বদলায়নি এতটুকু।

Visit rouesnews.click for more information.

পরিসংখ্যানের খাতা খুললে বিস্ময় জাগে। সব মিলিয়ে ১,১৭১টি পেশাদার ম্যাচ, আর গোল কত? ৯২৭টি! ফুটবল ইতিহাসের কোনো কোনো গল্প এতই নিখুঁত যে সেখানে সংখ্যাগুলো কেবল তথ্য থাকে না, মহাকাব্যের অধ্যায় হয়ে ওঠে। এই পথচলায় হ্যাটট্রিকের সংখ্যা পৌঁছে গেছে ৬২টিতে। যার মধ্যে বার্সেলোনাই দেখেছে সর্বোচ্চ ৪৮টি, জন্মভূমি আর্জেন্টিনার গায়ে ১১টি আর এখন ইন্টার মায়ামিতে ৩টি।

ইন্টার মায়ামিতে মেসির হ্যাটট্রিক আছে তিনটি

মেসির ১,১৭১ ম্যাচের এই গোল-মানচিত্রের হিসাবটা বেশ রোমাঞ্চকর। ৫৬০ ম্যাচে তিনি গোল পাননি। ৩৬৬ ম্যাচে একটি করে গোল। ১৮৩ ম্যাচে জোড়া গোল। আর ৫৩ ম্যাচে হ্যাটট্রিক। এর বাইরে আছে বড় বিস্ফোরণের দিনগুলো। সাত ম্যাচে চার গোল। দুবার পাঁচ গোল। অর্থাৎ, এক ম্যাচে তিন বা তার বেশি গোল করা মেসির কাছে কোনো চমক নয়; বরং নিয়মিত ঘটনার মতোই।

প্রথম বড় বিস্ফোরণটা এসেছিল ২০১০ সালে। চ্যাম্পিয়নস লিগে আর্সেনালের বিপক্ষে। সেদিন চারবার জালে বল জড়িয়েছিলেন। এরপর ২০১২ সাল যেন হয়ে ওঠে তাঁর গোলের উৎসবের বছর। ফেব্রুয়ারিতে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে চার গোল।

মার্চে বায়ার লেভারকুসেনের বিপক্ষে পাঁচ গোল, যা এখনো চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে অনন্য এক অধ্যায়। একই বছরের মে মাসে এস্পানিওলের বিপক্ষেও চার গোল। এক বছরেই তিনবার চার বা তার বেশি গোল, ভাবলেও অবাক লাগে!

এরপর ২০১৩ সালে ওসাসুনার বিপক্ষে আবার চার গোল। মাঝখানে কিছুটা বিরতি। তারপর ২০১৭ সালে এইবারের বিপক্ষে চার গোল। তিন বছর পর একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে আবারও চারবার জালে বল পাঠান তিনি। যেন কিছু প্রতিপক্ষ তাঁর সামনে এলেই আলাদা করে জেগে ওঠেন।

মেসি একাই করলেন চার গোল, জয়ে ফিরল মায়ামি

ক্লাব ফুটবলের এই রাজকীয় রূপ রূপকথা হয়ে ঝরে পড়েছে নীল-সাদা জার্সিতেও। ২০২২ সালের ৫ জুন আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে এস্তোনিয়ার রক্ষণভাগ ধুয়ে–মুছে দিয়ে একাই করেছিলেন পাঁচ গোল। সেটি ছিল তাঁর এক ম্যাচে চার বা তার বেশি গোল করার তালিকায় নবম কীর্তি।

হ্যাটট্রিকের হিসাবেও কিছু দল বারবার ফিরে আসে। ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে চারটি হ্যাটট্রিক। এরপরই আছে আতলেতিকো মাদ্রিদ, এস্পানিওল, দেপোর্তিভো লা করুনিয়া ও ওসাসুনার মতো নামগুলো।

যাদের প্রত্যেকের বিপক্ষে তিনটি করে হ্যাটট্রিক করার রেকর্ড আছে তাঁর। দেশের জার্সিতেও সুইজারল্যান্ড, ব্রাজিল, গুয়াতেমালা, পানামা, ইকুয়েডর, হাইতি, বলিভিয়া, এস্তোনিয়া, কুরাসাও থেকে শুরু করে আলজেরিয়ার বিপক্ষেও হ্যাটট্রিক উদ্‌যাপন করেছেন আর্জেন্টাইন তারকা।

চেলসি জানাল, এমি মার্তিনেজ এখন ‘ব্লু’

Read full story at source