আপনারও কি রাতে বারবার প্রস্রাব হয়? মিলিয়ে দেখুন কোন কারণে
· Prothom Alo

নানা রকম ক্রিয়া–বিক্রিয়া শেষে দেহে যে ক্ষতিকর বর্জ্য তৈরি হয়, প্রস্রাবের মাধ্যমে তা বেরিয়ে যায়। তবে রাতে বেশি প্রস্রাব হওয়ার কারণও নানা রকম। ডাক্তারি ভাষায় এ অবস্থাকে বলে নকচুরিয়া। যে কেউই রাতে এক থেকে দুবার প্রস্রাব করার জন্য উঠতে পারেন, এটি স্বাভাবিক। কিন্তু প্রস্রাবের কারণে রাতে বারবার যাঁদের ঘুম ভেঙে যায়, তাঁদের ক্ষেত্রে এটি একটি সমস্যা। রাতে বেশি প্রস্রাব হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো—
Visit bettingx.club for more information.
রাতে বেশি পানি পান: শোবার আগে বেশি পরিমাণে পানি বা তরল খেলে মধ্যরাতে মূত্রথলি পূর্ণ হয়ে যায়, প্রস্রাব করার প্রবণতা বাড়ে।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেহের অ্যান্টিডিউরেটিক হরমোনের পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণেও রাতে বেশি প্রস্রাব হয়ডায়াবেটিস: রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকলে অতিরিক্ত শর্করা প্রস্রাবের মাধ্যমে বের হওয়ার কারণে বেশি প্রস্রাব হতে পারে।
ওষুধের প্রভাব: কিছু ওষুধ, বিশেষ করে মূত্রবর্ধক (ডাইউরেটিক) ওষুধ রাতে খেলে প্রস্রাবের পরিমাণ বেড়ে যায়।
মূত্রথলির অতি সক্রিয়তা বা অক্ষমতা: মূত্রথলি সঠিকভাবে কাজ না করলে বারবার মূত্রত্যাগের তাগিদ হয়। একে বলে ওভার–অ্যাকটিভ ব্লাডার। নারীদের মেনোপজের পর এমন হতে পারে।
বয়সজনিত পরিবর্তন: বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দেহের অ্যান্টিডিউরেটিক হরমোনের পরিমাণ কমে যায়, এ কারণে রাতে বেশি প্রস্রাব হয়।
শোবার আগে বেশি পরিমাণে পানি বা তরল খেলে মধ্যরাতে প্রস্রাব করার প্রবণতা বাড়েঅন্যান্য শারীরিক সমস্যা: দীর্ঘমেয়াদি কিডনির রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্রোগ, প্রোস্টেট সমস্যা, মূত্রতন্ত্রের সংক্রমণ ইত্যাদি কারণেও রাতে প্রস্রাব বেড়ে যায়।
এ ছাড়া রাতে অতিরিক্ত ক্যাফেইন বা অ্যালকোহল গ্রহণ, ঘুমের সমস্যা ও দুশ্চিন্তাও এ সমস্যাকে বাড়িয়ে দিতে পারে।
যদি রাতে এ সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয়, ঘুমের ব্যাঘাত সৃষ্টি করে বা অন্যান্য সমস্যা, যেমন দুর্বলতা, পা ফোলা থাকে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
পুরুষ হরমোন টেস্টোস্টেরন কমে গেলে যেসব সমস্যা হতে পারে