অপরাধীর আক্ষেপ

· Prothom Alo

‘পৃথিবীটা বড্ড জালিম, নিষ্ঠুর।

Visit tr-sport.click for more information.

‘একপক্ষীয় প্রেমের মতো দুনিয়াটাও একপেশে!’

ছলছল চোখে, ভারাক্রান্ত গলায় কথাগুলো একা একা বলছিল এলাকার অন্যতম মেধাবী, কৃতী, ক্ষিপ্র, মাল্টিটাস্কফোর্স অপরাধী আক্কাস আলী ওরফে

বাটখারা আক্কাস।

আক্কাসের চোখের নিচে জমাট বাঁধা ডার্ক সার্কেল।

হয়তো রাত জেগে কাজ করার বাহ্যিক নিদর্শন।

জীবনদর্শন নিয়ে যারপরনাই মন খারাপ আক্কাসের। স্বগতোক্তি করে বলছিল, ‘জীবনে কি খুব বেশি

কিছু চাইছি?

‘আমরা কি পরিশ্রম করি না? একটা অপরাধ করতে কত কী প্ল্যান করতে হয়, কোনো আইডিয়া আছে?

‘সেদিন পাক্কা দুই ঘণ্টা দাঁড়াইয়া ছিলাম। একটা খ্যাপও পাই নাই। একটা পকেট মারতে পারি নাই, ব্যাগ/দুলও টানতে পারি নাই।

‘বাংলাদেশ নাকি সবার!

চোরের ওপর বাটপারিছিনতাই!

‘কই, আমরা তো শুধু পারছি একটু খোলা আকাশে দম নিতে আর নিশ্চিন্তে চলাফেরা করতে। কিন্তু সেই কৃতিত্বের কোনো স্বীকৃতি দেয় নাই। প্রোফাইলের বায়োতেও দিতে পারি না, Boss in ছিনতাই and হ্যাঁচকা টান। আমাগো কি ইচ্ছা করে না একটা পোফেশনাল লিংকি (লিংকড‌ইন) অ্যাকাউন্ট খুলতে? আমাগো কি ট্যালেন্ট নাই?

‘অপরাধী সব জায়গাতেই কমবেশি আছে। কই, কোনো প্রতিষ্ঠানে তো সার্কুলার দেখি নাই যে “অপরাধী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি”! আমরা তো তাহলে লয়্যালিটি রেখেই কাজ করতে পারতাম ফিক্সড বেতনে। খ্যাপের টেনশন, টাইমিংয়ের দুশ্চিন্তা করা লাগত না। সবার কাজই কাজ, আমাদের কাজ বুঝি আর কাজ না!

‘কিন্তু এই জগৎ আমাদের জন্য না রে, শেফালী!

‘দেশটা যখন সবার, তবে অপরাধীবান্ধব হিসেবে এ দেশের স্বীকৃতি কেন নেই? আমাদের একটু সম্মান দিতে অসুবিধা কোথায়?’ বলে হনহন করে চলে যায়

অভিমানী আক্কাস!

পেছনে পড়ে রয় সবুজ মাঠ, স্কুলের চিপা গলি আর একটা পাষাণ দুনিয়া।

বিদুৎ-বিড়ম্বনায় তাঁহারা যা লিখতেনবিয়ে না করার ১০ উপকারিতা...১টা ফাউAi ড্রামা কীভাবে বুঝবেন, দেশে বিদ্যুতের সংকট নেইতেল কথায় প্রকাশবেসরকারি চাকরিজীবীর পে স্কেল বিড়ম্বনাসবজান্তা সমীপেষুরসচিঠি

Read full story at source