সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তিতে নীতিমালা, এক শাখায় ৫৫ শিক্ষার্থী, ফি-কোটা পদ্ধতি কেমন

· Prothom Alo

দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি ও আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। স্কুলের কোনো শ্রেণির কোনো শাখাতে ৫৫ জনের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে না। আর প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর বয়স ৬+ বছর হতে হবে।

এসব নিয়ম রেখে দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে এ নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এ নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে।

Visit afsport.lat for more information.

শিক্ষার্থীর বয়স কত

‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’ অনুযায়ী প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীর বয়স ৬‍+ ধরে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে কাঙ্ক্ষিত শিক্ষাবর্ষের ১ জানুয়ারি তারিখে শিক্ষার্থীর সর্বনিম্ন বয়স ৫ বছর এবং সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত হবে। অন্যান্য সব শ্রেণিতে ভর্তির জন্য এ অনুসারে বয়স গণনা করতে হবে। শিক্ষার্থীর বয়স নির্ধারণের জন্য ভর্তির আবেদন ফর্মের সঙ্গে অনলাইন জন্মসনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের বয়স নির্ধারণে সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছরের অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া যাবে।

৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির মোট আসনের ১০ শতাংশ আসন স্বতন্ত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

শিক্ষাবর্ষ

নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য অনলাইন আবেদন ও লটারির তারিখ নির্ধারণ করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ বিবেচিত হবে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। স্কুলের কোনো শ্রেণির কোনো শাখাতে ৫৫ জনের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে না।

স্কুল চয়েজের নিয়ম ও ভর্তি পরীক্ষা

১ম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা ডিজিটাল লটারি পদ্ধতিতে হবে। ১ম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবশ্যিকভাবে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। ১ম শ্রেণিতে আবেদনের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ৫টি প্রতিষ্ঠানে পছন্দক্রম দিতে পারবে। তবে ডাবল শিফট স্কুলে উভয় শিফট পছন্দ করলে ২টি বিদ্যালয় পছন্দক্রম সম্পাদন হয়েছে বলে গণ্য হবে। একই প্রতিষ্ঠানে একাধিক আবেদন করলে সব আবেদন বাতিল হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে ১ম শ্রেণিতে ভর্তিপ্রক্রিয়া–সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। ভর্তি কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে লটারির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। লটারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীর তালিকা প্রস্তুত করার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমানসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকাও প্রস্তুত রাখতে হবে। ভর্তি কমিটির নির্ধারিত তারিখে নির্বাচিত শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে ভর্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

নীতিমালায় বলা হয়, ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠানের আগে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের নির্বাচিত কারিগরি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তুতকৃত সফটওয়্যারের যথার্থতা সরকার স্বীকৃত অন্য একটি কারিগরি প্রতিষ্ঠান দিয়ে যাচাই করতে হবে এবং এ–সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র সংরক্ষণ করতে হবে।

লিখিত পরীক্ষা: ২য়-৯ম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি

২য় থেকে ৯ম শ্রেণির শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাইপ্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীর তালিকা প্রস্তুত করার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমানসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকাও প্রস্তুত রাখতে হবে। ভর্তি কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত তারিখে নির্বাচিত শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে ভর্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষার মান বণ্টন ও সময়

(ক) ২য় থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণমান-৫০; এর মধ্যে বাংলা-১৫, ইংরেজি-১৫ ও গণিতে-২০ নম্বর থাকবে। ভর্তি পরীক্ষার সময় হবে ১ (এক) ঘণ্টা।

(খ) ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণমান-১০০; এর মধ্যে বাংলা-৩০, ইংরেজি-৩০ ও গণিতে-৪০ নম্বর থাকবে। ভর্তি পরীক্ষার সময় হবে ২ (দুই) ঘণ্টা।

ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান প্রধান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে শূন্য আসনের সংখ্যা উল্লেখপূর্বক ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন। এ ছাড়া ভর্তি কমিটি জাতীয়/স্থানীয় পত্রিকা/ওয়েবসাইটে ইত্যাদিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা নিবে।

বিদ্যালয়গুলোকে ক্লাস্টারে বিভক্তকরণ

২য়-৯ম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যালয়গুলোর অবস্থান, শিক্ষার্থীদের সুবিধা/অসুবিধা বিবেচনা করে ভর্তি কমিটি বিদ্যালয়গুলোকে বিভিন্ন ক্লাস্টারে বিভক্ত করতে পারবে। শিক্ষার্থী প্রতি ক্লাস্টারের যেকোনো ১টি বিদ্যালয়ে আবেদন করতে পারবে।

ভর্তির আবেদন ফরমের মূল্য ও ভর্তি ফি

অনলাইনে ১ম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন ফরমের জন্য সর্বোচ্চ ১১০ (একশত দশ) টাকা এবং ২য়-৯ম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন ফরমের জন্য সর্বোচ্চ ২৫০ (দুইশত পঞ্চাশ) টাকা গ্রহণ করা যাবে। সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে নির্ধারণ করতে হবে।

ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠান ও ফলাফল তৈরি

* নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠানের কারিগরি প্রতিষ্ঠান সাহায্যে আবেদন ও ডিজিটাল লটারির ফলাফল প্রকাশের যাবতীয় তথ্য ‘ঢাকা মহানগরী ভর্তি কমিটি’র নিকট প্রদান করবে।

* মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ‘ঢাকা মহানগরী ভর্তি কমিটি’র সদস্যদের উপস্থিতিতে ১ম শ্রেণির জন্য লটারির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

* সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘ঢাকা মহানগরী ভর্তি কমিটি’র নিকট থেকে প্রাপ্ত নির্বাচিতদের তালিকা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে এবং নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দিবে। কোনো অবস্থাতেই নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার বাইরে কোনো শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা যাবে না।

প্রশ্নপত্র প্রণয়ন

ভর্তি কমিটি যথাসময়ে ২য়-৯ম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। প্রশ্নপত্র অবশ্যই মানসম্মত ও শ্রেণি উপযোগী হতে হবে এবং এনসিটিবির সংশ্লিষ্ট শ্রেণির পাঠ্যবই হতে প্রণয়ন করতে হবে। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও মডারেশনের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিধান সুনিশ্চিত করতে হবে।

ফলাফল তৈরি

শিক্ষার্থীদের মেধাতালিকা ও অপেক্ষমাণ তালিকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর/জেলা প্রশাসক/বিদ্যালয়গুলোর ওয়েবসাইটে (যদি থাকে) একই সঙ্গে প্রকাশ করা হবে। উক্ত তালিকা প্রধান শিক্ষকেরা বিদ্যালয়ে প্রকাশ করবেন এবং কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। ভর্তি কমিটির অনুমোদন ব্যতীত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান বছরের অন্য সময়ে একক সিদ্ধান্তে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবেন না। এর ব্যত্যয় দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। কোড নম্বর থেকে শুরু করে ফলাফল করা পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষাসংক্রান্ত সব কাগজপত্র কমিটি এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করবে।

সংরক্ষিত কোটা, পোষ্য কোটা ও যমজ ভর্তি

* ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির মোট আসনের ১০ শতাংশ আসন স্বতন্ত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

* ঢাকা মহানগরীর সরকারি বিদ্যালয়গুলোর ক্যাচমেন্ট এরিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করতে হবে। অবশিষ্ট ৬০ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা মহানগরীর সব সরকারি বিদ্যালয়ের আওতাধীন ক্যাচমেন্ট এরিয়া নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করবে।

* মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। মুক্তিযোদ্ধা কোটা নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রমাণপত্রের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে এবং ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযোদ্ধা সনদ যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। উক্ত আসনে ভর্তি প্রার্থী না পাওয়া গেলে প্রথম ৩ শতাংশ সহোদর/সহোদরা এবং বাকি ২ শতাংশ সাধারণ প্রার্থীদের মধ্য হতে যথানিয়মে পূরণ করতে হবে। কোনোক্রমেই আসন শূন্য রাখা যাবে না।

* বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মূল ধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ন্যূনতম যোগ্যতা থাকার শর্তে ভর্তির ক্ষেত্রে ২ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রমাণস্বরূপ যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন দাখিল করতে হবে। উক্ত আসনে কোনো শিক্ষার্থী পাওয়া না গেলে সাধারণ প্রার্থীদের মধ্য হতে যথানিয়মে পূরণ করতে হবে। কোনোক্রমেই আসন শূন্য রাখা যাবে না।

* শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থায় (তফসিল-ক এ বর্ণিত) কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সন্তানদের ভর্তির ক্ষেত্রে ১ শতাংশসহ মোট ২ শতাংশ আসন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের প্রত্যয়নপত্র ও ন্যূনতম যোগ্যতা সাপেক্ষে যেকোনো সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তবে ভগ্নাংশ হলে পরবর্তী পূর্ণ সংখ্যা গণনা করতে হবে। উক্ত আসনে কোনো শিক্ষার্থী পাওয়া না গেলে সাধারণ প্রার্থীদের মধ্য হতে যথানিয়মে পূরণ করতে হবে। কোনোক্রমেই আসন শূন্য রাখা যাবে না।

* কোন প্রতিষ্ঠানে আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সহোদর/সহোদরা যদি পূর্ব থেকে অধ্যয়নরত থাকে অথবা যেসব যমজ ভাই/বোন নতুন আবেদন করবে, তাদের জন্য ৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। তবে এ সুবিধা কোনো দম্পতির মোট তিন সন্তান পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানে সহোদর/সহোদরার আবেদন পাওয়া না গেলে উক্ত ৩ শতাংশ আসন যমজ ভাই/বোনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। উক্ত আসনে কোনো শিক্ষার্থী পাওয়া না গেলে সাধারণ প্রার্থীদের মধ্য হতে যথানিয়মে পূরণ করতে হবে। কোনোক্রমেই আসন শূন্য রাখা যাবে না।

* কোনো প্রতিষ্ঠানে আবেদনকারী শিক্ষার্থীর যমজ ভাই/বোন যদি পূর্ব থেকে অধ্যয়নরত থাকে অথবা যে সব যমজ ভাই/বোন নতুন আবেদন করবে, তাদের জন্য ২ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। তবে এ সুবিধা কোনো দম্পতির মোট তিন সন্তান পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানে যমজ ভাই/বোন আবেদন পাওয়া না গেলে উক্ত ২ শতাংশ আসন সহোদর/সহোদরার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। উক্ত আসনে কোনো শিক্ষার্থী পাওয়া না গেলে সাধারণ প্রার্থীদের মধ্য হতে যথানিয়মে পূরণ করতে হবে। কোনোক্রমেই আসন শূন্য রাখা যাবে না।

* মাধ্যমিকে ভর্তির পুরো নীতিমালা দেখতে এখানে ক্লিক করুন

Read full story at source