তিন বিজ্ঞানীর ভ্রমণ
· Prothom Alo
তিন বিজ্ঞানীর ভ্রমণ
Visit sportfeeds.autos for more information.
বিজ্ঞানী হাইজেনবার্গ, শ্রোডিঞ্জার আর ওহম একটি গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর অপরাধে পুলিশ তাঁদের থামাল।
হাইজেনবার্গ জানালার কাচ নামাতেই পুলিশ অফিসার জিজ্ঞেস করলেন, ‘স্যার, আপনার কি কোনো ধারণা আছে, আপনি কত দ্রুত গাড়ি চালাচ্ছিলেন?’
হাইজেনবার্গ উত্তর দিলেন, ‘না, তবে আমি ঠিক জানি আমরা এখন কোথায় আছি।’
অফিসার তাঁকে বললেন, ‘আপনি গতিসীমার চেয়ে ১৫ মাইল বেশি বেগে গাড়ি চালাচ্ছিলেন!’ হাইজেনবার্গ তখন হতাশ হয়ে বললেন, ‘চমৎকার! এখন তো আমরা হারিয়ে গেলাম!’
পুলিশ অফিসারের কাছে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলো। তিনি গাড়িটি তল্লাশি করার সিদ্ধান্ত নিলেন। যখন তিনি গাড়ির ডিকি (ট্রাঙ্ক) খুললেন, সেখানে একটি মরা বিড়াল দেখতে পেলেন। তিনি চিৎকার করে বললেন, ‘আপনারা কি জানতেন এখানে একটা মরা বিড়াল পড়ে আছে?’ শ্রোডিঞ্জার উত্তর দিলেন, ‘এখন জানলাম।’
পুলিশ অফিসার বিরক্ত হয়ে তাঁদের দুজনকে গ্রেপ্তার করার সিদ্ধান্ত নিলেন। সেই সঙ্গে বিজ্ঞানী ওহমকেও ধরলেন; কারণ, তিনি রেজিস্ট্যান্স বা বাধা দিচ্ছিলেন!
ব্যাখ্যা
১. হাইজেনবার্গের ‘অনিশ্চয়তা নীতি’ অনুযায়ী, কোনো কণার অবস্থান ও বেগ একসঙ্গে নিখুঁতভাবে জানা অসম্ভব। তাই তিনি অবস্থান জানলেও বেগ জানতেন না। আবার বেগ জানার সঙ্গে সঙ্গে তিনি অবস্থান হারিয়ে ফেলেন।
২. শ্রোডিঙ্গারের বিখ্যাত ‘বিড়ালের প্যারাডক্স’ অনুযায়ী, কোনো কিছু পর্যবেক্ষণ না করা পর্যন্ত তা একই সঙ্গে মৃত ও জীবিত দুই অবস্থাতেই থাকতে পারে।
৩. ওহমের সূত্রে ‘রেজিস্ট্যান্স’ বা রোধ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এখানে পুলিশি কাজে বাধা দেওয়া এবং বৈদ্যুতিক রোধ (রেজিস্ট্যান্স) নিয়ে পান করা হয়েছে।
ছোট্ট কৌতুক, বড় প্রশ্নপকেটমার ও বাসযাত্রী
এক পকেটমার বাসের মধ্যে এক ভদ্রলোকের পকেট মেরে পালিয়ে যাচ্ছিল। চলে যাওয়ার আগেই ভদ্রলোকের খেয়াল হলো, লোকটা তাঁর পকেট মারতে এসেছিল। উনি তাই পকেটমার লোকটাকে এক ধমক দিয়ে বললেন, ‘এই তোমার লজ্জা হয় না? ভেবেছ আমরা চোখ বুজে বাসের মধ্যে বসে আছি?’
পকেটমার লোকটা পালটা রাগ দেখিয়ে বলল, ‘লজ্জা আমার নয়, আপনার হওয়া উচিত। পকেটে পয়সা না নিয়ে বাসে উঠে পড়েছেন।’
হোজ্জার কৌতুকহাস্যরসের তিন কৌতুকঢাকার কৌতুক লন্ডনের কৌতুক