জামালপুরে আদালত প্রাঙ্গণে মামলার বাদীকে মারধরের অভিযোগ, নারী আসামি কারাগারে

· Prothom Alo

জামালপুরে নাশকতার মামলার বাদীকে আদালত প্রাঙ্গণে মারধরের অভিযোগ উঠেছে মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে জান্নাতুল হুমায়রা নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

Visit extract-html.com for more information.

মারধরের শিকার রাসেল হোসেন জামালপুর সদর উপজেলার নাঙ্গলজোড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনি মাথায় আঘাত পেয়েছেন।

আদালত প্রাঙ্গণে বিচারপ্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা প্রকাশ করেছেন জামালপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রিশাদ রেজওয়ান। তিনি বলেন, আদালত প্রাঙ্গণে এ ধরনের ঘটনা শুধু বিচারপ্রার্থীদের নিরাপত্তাকেই বিঘ্নিত করে না, বরং বিচারব্যবস্থার পরিবেশ ও আদালতের মর্যাদাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

পুলিশ ও আহত ব্যক্তির পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মুন্সীনাংলা এলাকায় একটি শিল্পকারখানায় চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে একটি মামলা করেন রাসেল হোসেন।

রাসেল হোসেন, মামলার বাদীমামলাটি প্রত্যাহার করার জন্য আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে আমাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। পরিকল্পিতভাবে জান্নাতুল হুমায়রা ও মাসুদের নেতৃত্বে আসামিরা আমার ওপর হামলা চালান। মামলা তুলে না নিলে হত্যার হুমকি দেন তাঁরা।

ওই মামলার এজাহারে বলা হয়, জান্নাতুল হুমায়রা, মাসুদ, সামিউল ইসলাম, আমিনুর ইসলাম ও আক্তার হোসেনের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চাঁদা দাবি করে ওই কারখানায় হামলা চালান। এ সময় ফাঁকা গুলি ছোড়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। পরে এ ঘটনায় ওই দিনই মেলান্দহ থানায় মামলাটি করেন রাসেল।

রাসেলের পরিবার জানায়, গতকাল ওই মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল। শুনানি শেষে রাসেল আদালত প্রাঙ্গণে তাঁর আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় জান্নাতুল হুমায়রা ও মাসুদের নেতৃত্বে আসামিরা তাঁর ওপর হামলা চালান। তাঁরা রাসেলের গেঞ্জির কলার ধরে কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা জান্নাতুল হুমায়রাকে গ্রেপ্তার করেন।

রাসেল হোসেন বলেন, ‘মামলাটি প্রত্যাহার করার জন্য আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে আমাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। পরিকল্পিতভাবে জান্নাতুল হুমায়রা ও মাসুদের নেতৃত্বে আসামিরা আমার ওপর হামলা চালান। মামলা তুলে না নিলে হত্যার হুমকি দেন তাঁরা।’

জামালপুর আদালত পরিদর্শক খান আবদুল হালিম সিদ্দিকী বলেন, জান্নাতুল হুমায়রাকে গ্রেপ্তার করে গতকালই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Read full story at source