পাবনায় এক বছর বন্ধের পর আবারও হচ্ছে রুচি বৈশাখী উৎসব

· Prothom Alo

পাবনায় এক বছর বন্ধ থাকার পর আবারও উদ্‌যাপিত হচ্ছে রুচি বৈশাখী উৎসব। আগামীকাল মঙ্গলবার পয়লা বৈশাখে এ উৎসবের আয়োজন করেছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী স্কয়ার গ্রুপ।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগামীকাল সকাল ৮টায় পাবনা শহরের স্বাধীনতা চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে আয়োজন শুরু হবে। সকাল সাড়ে ৮টায় সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে হবে মূল আয়োজন। প্রতিবছরের মতো এবারও থাকবে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীদের পরিবেশনা। সংগীত পরিবেশন করবেন জেমস, ইমরান মাহমুদ, ঐশী এবং ম্যাজিক বাউলিয়ানার সেরা তিন শিল্পী। নৃত্য পরিবেশন করবেন মন্দিরা চক্রবর্তী ও সোহাগ ড্রান্স ট্রুপ।

এই আয়োজন সম্পর্কে স্কয়ার গ্রুপের পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী বলেন, ‘স্কয়ারের অগ্রযাত্রা পাবনা থেকে। পাবনার সঙ্গে আমাদের প্রাণের সম্পর্ক। জেলাবাসীর জন্য আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। সেই দায়িত্ব বোধ থেকেই আমরা ঢাকার বাইরে বড় এই আয়োজন করছি। মানুষ উৎসব করুক, আনন্দ পাক, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানায়, করোনার প্রকোপ ও পবিত্র রমজান মাসের কারণে কয়েক বছর বৈশাখী উৎসবের আয়োজন বন্ধ ছিল। ২০২৪ সালে সর্বশেষ এই উৎসব হয়। ২০২৫ সালে আয়োজনটি হয়নি। এক বছর পর আবারও জাঁকজমকপূর্ণভাবে উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

এদিকে রুচি বৈশাখী উৎসব ঘিরে শহরবাসীর মধ্যে আনন্দ–উদ্দীপনা ছড়িয়ে পড়েছে। আজ বিকেলে সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে গিয়ে দেখা যায়, মঞ্চ তৈরি ও সাজসজ্জার কাজ কাজ চলছে। অসংখ্য মানুষ সেখানে ভিড় জমিয়েছেন।

কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নওশিন আক্তার বলেন, ‘আমরা মফস্‌সলে থাকি, বড় কোনো আয়োজন পাই না। তাই অপেক্ষা থাকে রুচি বৈশাখী উৎসবের। এক বছর পর আয়োজনটি হচ্ছে। এতে আমরা খুশি।’

অনুষ্ঠান প্রস্তুতি দেখতে মেয়েকে নিয়ে এসেছেন শিক্ষক আবদুল খালেক। তিনি বলেন, ‘আমাদের জীবনে আনন্দের খোরাক কমে যাচ্ছে । কিছু আনন্দ ছাড়া জীবন চলতে পারে না। ফলে প্রতিটি উৎসবের মতোই পয়লা বৈশাখ আমাদের প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে।’

এদিকে বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসক, পাবনা প্রেসক্লাব, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, নাট্য সংগঠন পাবনা ড্রামা সার্কেলসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন আয়োজন করেছে।

Read full story at source