রাজধানীর সবুজবাগে তরুণীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রকি ৪ দিনের রিমান্ডে
· Prothom Alo

রাজধানীর সবুজবাগে তরুণী ছুরাইয়া আক্তার ওরফে ফালানী হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার মো. রকি নামের আরও এক আসামির চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাতের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
Visit biznow.biz for more information.
ফালানী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়ায় রকিকে গতকাল রোববার এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সবুজবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নূরে আলম সিদ্দিকী।
আজ সোমবার আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন ধার্য ছিল। শুনানিকালে রকিকে আদালতে হাজির করা হলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তাঁকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। এরপর রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
এর আগে ৬ আগস্ট সকাল নয়টার দিকে সবুজবাগের মাদারটেক বাগানবাড়ী কালভার্ট এলাকার গরুর একটি খামারসংলগ্ন সেতুর নিচ থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর খণ্ডিত মাথা ও পলিথিনে মোড়ানো দুই হাত উদ্ধার করে পুলিশ। পরে খণ্ডিত মাথার ছবি ও দুই হাতের ট্যাটু দেখে লাশটি শনাক্ত করেন ফালানীর মা–বাবা।
ছুরাইয়া আক্তার ওরফে ফালানী মুন্সীগঞ্জের ঢালীকান্দি গ্রামের বজলুল ব্যাপারীর মেয়ে। এ ঘটনায় ৬ আগস্ট সবুজবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন এসআই রাশেদুল ইসলাম।
৩ আগস্ট রাত সাড়ে নয়টার দিকে ফালানী, গ্রেপ্তার কয়েকজন সন্দেহভাজন আসামিসহ কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বাগানবাড়ী কালভার্টের ওপর দীর্ঘ সময় একসঙ্গে অবস্থান করছিলেন। পরে আসামিরা ফালানীকে কৌশলে কোনো অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। ৪ আগস্ট রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে আসামি ফারুক ও ফালানী ছাড়া অন্য আসামিরা আবার ওই কালভার্টে এসে কিছুক্ষণ অবস্থান করে চলে যান।
ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে গত শুক্রবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত পৃথক অভিযান চালিয়ে ফালানীর বান্ধবী নুসরাত জাহান সাহিদাসহ (১৯) মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার অন্য আসামিরা হলেন ফারুক ওরফে জামাই ফারুক (৪৫), মো. সুজন (২০), মো. মামুন (২০) ও মো. রাফি ইসলাম ওরফে বাপ্পি (১৯)।
গত শনিবার এই আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলাম প্রত্যেকের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।